বাংলাদেশির তথ্যচিত্রে অস্ট্রেলীয় আদিবাসী

২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দিবস ‘অস্ট্রেলিয়া ডে’। ১৭৮৮ সালের এই দিনে ইংরেজরা প্রথম অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে পা রাখে। এরপর থেকে সেখানকার আদি বাসিন্দাদের ওপর জাতিগত নিপীড়ন শুরু হয়। অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীরা তাই এই দিনটিকে নিপীড়ন-নির্যাতনের সূচনা হিসেবে গণ্য করে। এই দিনটি উদ্‌যাপন করার বিতর্কে তাই অস্ট্রেলিয়া আজো জাতিগত চেতনায় বিভাজিত।

সেই অস্ট্রেলিয়ার ‘ক্যানবেরা শর্টফিল্ম’ ফেস্টিভ্যালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলীয় রেমন্ড সলোমন নির্মিত ‘হোয়াট ইজ অস্ট্রেলিয়া ডে’। দৈনিক প্রথম আলো সূত্রে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসী নির্যাতনের ইতিহাস ভিত্তিক এই তথ্যচিত্রটি ১৭ নভেম্বর ক্যানবেরার ড্যান্ডি প্রেক্ষাগৃহে দেখানো হবে।

৪ মিনিট ২২ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের ‘হোয়াট ইজ অস্ট্রেলিয়া ডে’ তথ্যচিত্রে ২৬ জানুয়ারি ‘অস্ট্রেলিয়া ডে’ উদ্‌যাপনের সঙ্গে আদিবাসীদের ওপর নির্যাতনের যোগসূত্রকে উপস্থাপন করা হয়েছে। এতে দেখা যায়, কীভাবে এই উদ্‌যাপন আদিবাসীদের জাতিগত বিবেকে আঘাত করে।

নির্মাতা সলোমন বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার জাতিসত্তা নিয়ে সবচেয়ে মর্মান্তিক এই প্রশ্নটি করা খুব সহজ, তবে এর উত্তর দেয়া সহজ নয়। জাতি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার জন্মদিন ঠিক সেই দিনেই উদ্‌যাপিত হয়, যেদিন এই ভূমিতে আদিবাসীদের ওপর মর্মান্তিক নিপীড়ন ও হত্যার সূচনা হয়েছিল। আমরা যতদিন ২৬ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ার জাতিসত্তা হরণের দিনকে জাতীয় দিবস হিসেবে উদ্‌যাপন করবো, ততদিন আমাদের দেশ ও জাতিগত উন্নয়নের স্বপ্ন পূরণ হবে না।’’

‘হোয়াট ইজ অস্ট্রেলিয়া ডে’ তথ্যচিত্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আট বছর বয়সী আদ্রিতা আকাশ অভিনয় করেছেন। নেপথ্য সঙ্গীতে কণ্ঠ দিয়েছেন শামা রেইন, চিত্রগ্রহণ ও সম্পাদনা করেছেন শিমুল শিকদার। আর তথ্যচিত্রের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন চিত্রনায়ক রিয়াজ।

এমন আরও সংবাদ

রিপ্লাই দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার নাম লিখুন

17 − nine =

সর্বশেষ বিনোদন