জাপানের সমকালীন সেরা সিনেমা

শোজো ইচিয়ামা

এই বছর টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের নতুন প্রোগ্রামিং ডিরেক্টর পদে অভিষিক্ত হলেন জাপানি প্রযোজক শোজো ইচিয়ামা। এর আগে ২০০৪ সাল থেকে ইয়োশি ইয়াতাবে এই পদে নিয়োজিত ছিলেন । ইচিয়ামা এর আগে আরেক জাপানি চলচ্চিত্র উৎসব টোকিও ফিল্মেক্সের কর্ণধারের দায়িত্ব পালন করেছেন। আর প্রযোজক হিসেবে তিনি চীন, তাইওয়ান ও জাপানের নামকরা কিছু পরিচালকের সঙ্গে কাজ করেছেন।

গত ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতা ২০২১, চলবে আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। আর এই উপলক্ষে ইচিয়ামা গত পাঁচ বছরে দর্শকদের চোখ এড়িয়ে গেছে এমন কিছু চমৎকার জাপানি চলচ্চিত্রের নাম জানিয়েছেন বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য হলিউড রিপোর্টারকে। জাপানি চলচ্চিত্র যারা দেখতে পছন্দ করেন, এই চলচ্চিত্রগুলো তাদের দেখা উচিত বলে মনে করেন তিনি।

দ্য ডর্ক, দ্য গার্ল অ্যান্ড দ্য ডুশব্যাগ (২০১৬)

সহিংসতা ও অফবিট হাস্যরসে পরিপূর্ণ এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনার পাশাপাশি চলচ্চিত্রের প্রযোজনা ও চিত্রনাট্যের দায়িত্বেও ছিলেন ইয়োসুকে ওকুদা। এর বাজেট আসে ক্রাউডফান্ডিং থেকে।

ভিজিল্যান্টি (২০১৭)

তিন ভাইয়ের বিচ্ছেদ ও পুনর্মিলনের গল্প নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন ইয়ু ইরি। স্বাধীন ও বাণিজ্যিক ধারার মিশেলে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে কিছু নির্যাতনের দৃশ্য থাকায় দুর্বলচিত্তের কারোর এটি না দেখাই ভালো।

কাম অন, আইরিন (২০১৮)

কেইসুকে ইয়োশিদার এই চলচ্চিত্রটি একটি জাপানিজ কমিক (মাঙ্গা) অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। চলচ্চিত্রে বিয়ের পাত্রী খুঁজতে ফিলিপাইন ভ্রমণে যায় এক ব্যক্তি, আর স্ত্রীকে জাপানে আনতে গিয়ে নানা সমস্যার সম্মুখীন হয়।

ডেসট্রাকশন বেবিজ (২০১৬)

তেতসুয়া মারিকো নির্মিত এই চলচ্চিত্রে আছে বিরান এক বন্দরনগরীতে এক তরুণের হিংস্রতার দিকে অধঃপতন। ইউয়া ইয়ারিগা ও মাসাকি সুদা অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবের একটি বিভাগে সেরা নির্মাতার পুরস্কার জিতে নিয়েছে।

আ গার্ল মিসিং (২০২০)

সমসাময়িক জাপানে এক নারীর অন্যায়ের শিকার হওয়াকে কেন্দ্র করে কোজি ফুকাদা এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন। এই নির্মাতার ‘হারমোনিয়াম’ চলচ্চিত্রটি ২০১৬ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবের ‘আঁ সার্তে রিগা’ বিভাগে ‘প্রিক্স দু জুরি’ পুরস্কার জেতে।

থিয়েটার: আ লাভ স্টোরি (২০২০)

ছোট প্রেক্ষাগৃহের জন্য সুপরিচিত টোকিওর শিমো-কিতাযাওয়া অঞ্চলের এক শিল্পী ও তার ব্যক্তিগত জীবনের দুর্বিষহ সব সম্পর্ক নিয়ে চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন ইসাও ইয়ুকিসাদা। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে চলচ্চিত্রটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম অ্যামাজনে মুক্তি পায়।

ফ্রম মিয়ামতো টু ইউ (২০১৯)

তেতসুয়া মারিকোর এই চলচ্চিত্রেও স্টাইলাইজড সহিংসতার প্রাধান্য আছে। এই চলচ্চিত্রের ঝুলিতে সেরা অভিনয়ের কয়েকটি পদক থাকলেও চলচ্চিত্রটি জাপানের বাইরে খুব বেশি জনপ্রিয়তা পায়নি।

ফেয়ারওয়েল সং (২০১৯)

সমকামী দুই নারী সঙ্গীতশিল্পীর বিদায়ী ভ্রমণ, আর এতে অকস্মাৎ আরেক চরিত্রের আগমন – এমন গল্প নিয়ে আকিহিকো শিওতা নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্রটি।

রোম্যান্স ডল (২০২০)

ইয়ুকি তানাদার এই চলচ্চিত্রে এক ব্যক্তির গোপন পেশা হলো সেক্স ডল বানানো। এই কাজ করতে গিয়ে নিজের স্ত্রীর মতো দেখতে একটি ডল বানিয়ে ফেলে সে, যা ক্রেতাদের মধ্যে সাড়া ফেলে দেয়।

ব্যাংকক নাইটস (২০১৬)

এই চলচ্চিত্রটির প্রায় পুরো শুটিংই হয়েছে থাইল্যান্ডে। জাপানি এক ব্যক্তির থাই এক নারীর প্রেমে পড়া নিয়ে কাতসুয়া তোমিতা এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন।

 

এমন আরও সংবাদ

রিপ্লাই দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার নাম লিখুন

4 − 1 =

সর্বশেষ বিনোদন